টাঙ্গাইলের করটিয়া ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম এর উপর সন্ত্রাসী হামলা

আল আমিন খান টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার ও  আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শফিকে মারপিট করেছে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা। উল্লেখ্য, বিগত ২০০১ সালের ২ই অক্টোবর বিবাদীরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর ও তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ছিড়ে ফেলেন। শফিকুল ইসলাম ২নং ওয়ার্ডের দুই দুইবারের নির্বাচিত মেম্বার। ২৭ নভেম্বর সকালে স্থানীয় এক নির্যাতিত মহিলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে করটিয়া হাটখোলায় গেলে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা সন্ত্রাসীরা শফিকুল মেম্বারের উপর হামলা চালিয়ে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। এছাড়াও তার পরনে থাকা পোষাক ছিড়ে ফেলে ও প্রাণনাশের হুমকী প্রদান করেন। এ ঘটনার পর মো.শফিকুল ইসলাম শফি বাদী হয়ে ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযুক্তরা হলো, করটিয়া ইউনিয়নের বীরপুশিয়া গ্রামের মৃত আনছের সরকারের ছেলে মো. আরিফ সরকার (৫২), মৃত হালিম মিয়ার ছেলে মো. সুজন মিয়া (৩৫), মৃত ফজল মিয়ার ছেলে মাসুদ মিয়া (৩২) সহ আরো অজ্ঞাত ৪/৫ জনের কথা লেখা হয়। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, করটিয়া হাটখোলা গ্রামের মো. গোলাম নবীর স্ত্রী পুতি বেগম (৪৫)-এর সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ জমি সক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিলো। ওয়ার্ডের মেম্বার হিসেবে পুতি বেগম ও তার পরিবার শফিকুল ইসলামের কাছে বিচার নিয়ে আসেন। বিষয়টি মিমাংসার জন্য তিনি ২৭ নভেম্বর সকালে করটিয়া হাটখোলায় গেলে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা সন্ত্রাসীরা শফিকুল মেম্বারকে উদ্দেশ্য করে প্রকাশ্যে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। শফিকুল মেম্বার প্রতিবাদ করলে সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তার উপর হামলা চালিয়ে এলোপাথারী মারপিট করেন। এসময় তার পরনে থাকা সকল পোষাক ছিড়ে ফেলে এবং প্রাণনাশের হুমকী প্রদান করে সন্ত্রাসীরা।
ঘটনার বিষয়ে অভিযোগকারী করটিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে করটিয়া ইউনিয়ন ও উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতারা হস্তক্ষেপ করছেন। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং বিষয়টি নেতারা দেখবেন। ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে করটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনুর মুঠো ফোনে (০১৭১১৩১৯৬৩২) কল করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এবিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, সবগুলো ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।